Whilst many of us will be planning our staycations this Summer, recess provides a crucial opportunity for..
Filter by Party
“বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিল
শোষণ, বৈষম্য ও উপনিবেশিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক
ঘোষণা। কিন্তু স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পরও রাষ্ট্রের কাঠামো, শাসনব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক
ব্যবস্থার গভীরে উপনিবেশিক মানসিকতা ও বৈষম্যের শেকড় রয়ে গেছে। ক্ষমতা ক্রমাগত কেন্দ্রীভূত
হয়েছে, রাষ্ট্র জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে, আর সাধারণ মানুষের মর্যাদা, মত প্রকাশ ও
ভোটের অধিকার বারবার সংকুচিত হয়েছে। দলীয় স্বৈরাচার ক্রমাগত ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায়
পরিণত হয়। এই বাস্তবতার বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বীর সন্তানেরা জীবন বাজি রেখে,
বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে স্বৈরাচরী শেখ হাসিনা
সরকারের পতন ঘটায়।
মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা এবং উপনিবেশিক রাষ্ট্রকাঠামোর সম্পূর্ণ বিলোপ। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে রাষ্ট্র ও শাসনব্যবস্থার দীর্ঘস্থায়ী ব্যর্থতাই জন্ম দিয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের। এই গণঅভ্যুত্থান বৈষম্যবিরোধী সমাজ গঠন এবং জনগণের অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার স্পষ্ট ম্যান্ডেট। রাজপথে উৎসর্গকৃত প্রাণ, আহত শরীর ও কারাবন্দি কণ্ঠ একটাই ঘোষণা করেছে- বাংলার মানুষ আর বৈষম্য, অবিচার ও নিপীড়নমূলক রাষ্ট্র মেনে নেবে না। প্রচলিত রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংকট, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও অর্থনৈতিক বৈষম্য নিরসনে তাত্ত্বিক সিরাজুল আলম খান গভীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা দিয়ে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অংশীদারিত্বের গণতন্ত্রের নয়া দর্শন উপস্থাপন করেন।”
View or download PDF