Whilst many of us will be planning our staycations this Summer, recess provides a crucial opportunity for..
Filter by Party২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর ওপরে গণভোট অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। এতে ৫০ টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ১,৯৮১; যার মধ্যে ২৪৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন।
২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচন বিরোধী দলসমূহ বর্জন করে। সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে নতুন নতুন দল তৈরি করে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়। এতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট এবং ২০টি দলের অংশগ্রহণ দেখানো হয়। মোট ভোটার ছিল ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার ২৮৯ জন।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জোটসহ মোট ৩৯টি দল থেকে ১৭২০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, এছাড়া ১২৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। মোট ভোটার ছিলেন ১০ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৪৮০ জন।
২০১৪ বাংলাদেশে ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকল বিরোধী দল এই নির্বাচন বর্জন করে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং তার জোট সঙ্গী ও সহযোগীসহ ১২টি দল অংশ নেয়। এতে মোট দলগত প্রার্থী ছিলেন ৪৩৯ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ১০৪ জন। ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা বিজয়ী হন। বাকী ১৪৭টি আসনে ৩৯০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ভোটার ছিলেন ৯ কোটি ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ৯৭৭ জন।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩৮টি রাজনৈতিক দলের ১৪১৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন ১৫১ জন। এতে ৫৯ জন নারী প্রার্থী অংশ ছিলেন। মোট ভোটার ছিলেন ৮ কোটি ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৩ জন, নির্বাচনে ৮৭.১৩ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
২০০১ সালের ১ অক্টোবর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩০০টি আসনের বিপরীতে ৪৮৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৫৪টি দল থেকে মোট ১৯৩৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন। মোট ভোটার ছিলেন ৭ কোটি ৪৯ লাখ ৪৬ হাজার ৩৬৪ জন। ৭৪.৯৭ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৮১টি রাজনৈতিক দল থেকে মোট ২৫৭৪ জন প্রার্থী অংশ নেন। এছাড়া ২৮১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ভোটার ছিলেন ৫ কোটি ৬৭ লাখ ১৬ হাজার ৯৩৫ জন। ৭৫.৬ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩০০টি আসনে ৭৫টি রাজনৈতিক দল থেকে মোট ২৭৮৭ জন প্রার্থী অংশ নেন। এ ছাড়া ৪২৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ভোটার ছিলেন ৬ কোটি ২১ লাখ ৮১ হাজার ৭৪৩ জন। ৫৫.৪৫ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
“দায়িত্বভার
গ্রহণের কিছুদিনের মধ্যেই দেশে আইনের শাসন পুন:প্রতিষ্ঠিত হয়। গণতন্ত্রে একনিষ্ঠ বিশ্বাসী
জিয়াউর রহমান প্রথমেই জনগণের তাঁর প্রতি আস্থা আছে কিনা যাচাই করিয়া, দেশ গড়ার কাজে
আত্মনিয়োগ করিলেন। দেশের এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্তে ছুটিয়া বেড়াইয়াছেন, দেশবাসীর
সমস্যাসমূহ নিজ চোখে দেখিতেন ও তাৎক্ষণিক সমাধান করিতেন। টেকনাফ হইতে তেতুলিয়া পর্যন্ত
চলিয়াছে উন্নয়নের জোয়ার। সর্বোচ্চ সংখ্যক দেশবাসীর সাথে ব্যক্তিগত ও আত্মিক যোগাযোগ
ঘটিল জিয়াউর রহমানের সঙ্গে। দেশবাসীর মনে আবার আস্থা ফিরিয়া আসিল। এইবার একজন সত্যিকার
জন নায়ক আসিয়াছেন। এক দলীয় শাসনের অবসানে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবনের সঙ্গে সঙ্গে
জিয়া পূর্ববর্তী সরকারের আমলের দশ হাজারেরও বেশি রাজবন্দীকে মুক্তি দেন, জরুরি অবস্থা
প্রত্যাহার করেন। তিনি শহর ভিত্তিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে লইয়া যান গ্রামাঞ্চলে। গ্রাম
সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মৃত্যুপ্রায় গ্রামগুলির মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করেন। শহরে ও
গ্রামে সমান্তরাল গতিতে চলিল উন্নয়ন ও উৎপাদনের কর্মকাণ্ড। বস্তুত, জিয়াউর রহমানের
পাঁচ বৎসর শাসনকালই ছিল বাংলাদেশের স্বর্ণযুগ।”