Whilst many of us will be planning our staycations this Summer, recess provides a crucial opportunity for..
Filter by Party
“সংগ্রামী সালাম ও শুভেচ্ছা
গ্রহণ করুন। আগামী ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতির বহুল প্রচারিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত
হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচনের জন্য সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের পরও জনগণকে অতিরিক্ত
দুই বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। বিগত বিএনপি-জামাত জোট সরকার ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার জন্য
নীল নকশা করেছিল। তাদের এই নীল নকশা অনুযায়ী ‘ইয়াজউদ্দিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ও ‘আজিজ
নির্বাচন কমিশন’ ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি একটি একতরফা নির্বাচনের অপচেষ্টা চালিয়েছিল।
কিন্তু জনগণ ভোটের অধিকার রক্ষা এবং বিএনপি-জামাতের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার নীল নকশার
একতরফা নির্বাচনের বিরুদ্ধে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তোলে। গণআন্দোলনের মুখে ২০০৭ সালের
১১ জানুয়ারি ‘ইয়াজউদ্দিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ক্ষমতা ছাড়তে এবং ২২ জানুয়ারি নীল নকশার
একতরফা নির্বাচন বাতিল করতে বাধ্য হয়। ‘ফখরুদ্দীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ দায়িত্ব গ্রহণ
করে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করে। নতুন নির্বাচন কমিশন খুব ধীর গতিতে হলেও ছবিসহ ভোটার
তালিকা প্রণয়ন, নির্বাচনী আইন ও আচরণ বিধি যুগোপযোগী করাসহ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পদ্ধতিমূলক
কাজগুলো সম্পন্ন করে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচনকে কালো টাকা ও পেশি শক্তির অশুভ
প্রভাবমুক্ত করার জন্য দুর্নীতিবাজ-লুটেরা-কালো টাকার মালিক-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে
অভিযান শুরু করে। কিন্তু সরকারের এ অভিযান দু’বছরের মাথায় আজ অনেকটাই ব্যর্থ ও প্রহসনে
পরিণত হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ‘মুখ ও দল না দেখে’ আইনের নিরপেক্ষ ও কঠোর প্রয়োগের
বদলে ‘সমতা রক্ষা’ করতে গিয়ে সমগ্র দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশাসন, দুর্নীতি দমন কমিশন চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান
সফল করার জন্য যথাযথ আইনি প্রস্তুতি গ্রহণ ও
আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করাসহ প্রশাসনিক ব্যর্থতার ফলে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইনি
লড়াই দুর্বল হয়ে পড়ে। সরকার, প্রশাসন ও দুদকের এই ব্যর্থতার সুযোগ নিয়ে আইনের ফাঁকফোকর
দিয়ে চিহ্নিত লুটেরা-সন্ত্রাসী-দুর্নীতিবাজ-কালো টাকার মালিকরা বেরিয়ে এসে নির্বাচনের
মাঠে ঢুকে পড়েছে।”